অপারেশন জ্যাকপটের আক্রমণ বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমে ফলাওভাবে প্রচারিত হয়

361

মুক্তিযুদ্ধের বিজয় বীর বাঙালির অহংকার-সেই শ্লোগানকে সামনে রেখে এবারও পালন করা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা, স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

গতকাল বৃহস্পতিবার(১২ ডিসেম্বর) স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অপারেশন জ্যাকপটের প্রধান কমোডর এ ডব্লিউ চৌধুরী বীর উত্তম-বীর বিক্রম।

অপারেশন জ্যাকপটের প্রধান কমোডর এ ডব্লিউ চৌধুরী বীর উত্তম-বীর বিক্রম বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন চট্টগ্রাম বন্দর এবং বাংলাদেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ নদী বন্দরে অপারেশন জ্যাকপটের সফল অভিযান আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের ক্ষেত্রকে নতুন মাত্রা যুক্ত করেছিল। এই আক্রমণ বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমে ফলাওভাবে প্রচারিত হয় এবং মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে ত্বরান্বিত করতে মৃত্যুঞ্জয়ী শক্তির প্রেরণা যুগিয়েছিল।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শাবান মাহমুদ তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জেনে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে জাতীর উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। রক্তচক্ষু, অপশক্তি, সাম্প্রদায়িকতা ও সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদকে উপেক্ষা করে প্রবল ইচ্ছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
বিজয় মঞ্চে মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন রাশেদের সভাপতিত্বে ও বাবু পান্টু লাল সাহার সঞ্চালনায় স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান, খোরশেদ আলম (বীর প্রতীক-নৌ কমান্ডো), বশিরউল্লা মজুমদার (নৌ-কমান্ডো), মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের মহাসচিব মোহাম্মদ ইউনুছ। উপস্থিত ছিলেন এইচ এম জিলানী চৌধুরী, মো. আনোয়ার মিয়া, নঈম উদ্দিন চৌধুরী, হারেছ আহমেদ, মোহাম্মদ হোসেন, মো. কামাল আহমেদ, মো. কামাল, নুরুল আলম চৌধুরী, নুরুল গণি, মহিউদ্দিন আহমেদ, এম রেজাউল করিম চৌধুরী, বদিউল আলম, এম এ রশিদ, অ্যাড. শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর প্রমুখ।

বিজয় মঞ্চে আজ মহিলা সমাবেশে হাসিনা মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন। প্রধান বক্তা থাকবেন শহীদ আলীম চৌধুরীর কন্যা ডা. নুজহাত চৌধুরী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।