বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী পালন করলো মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদ

400

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদ।

আজ রবিবার (১৫ আগষ্ট) মেলা পরিষদের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করে শ্রদ্ধা জানানো ছাড়াও পনের আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল সদস্যের জন্য কোরআন খতম, দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মৌলানা মোহাম্মদ হারুণ। পরে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনু্ষ্ঠিত হয়।

মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: ইউনুচের সভাপতিত্বে আলোচনায় সভায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মাহবুবুল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর চৌধুরী, সৈয়দ মাহমুদুল হক, বীর মুক্তি যোদ্ধা পংকজ দস্তিদার, বীর মুক্তি যোদ্ধা নির্মল নাথ, বীরমুক্তি যোদ্ধা কিরন আচার্য্য,প্রমূখ।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে মানবতার শত্রু প্রতিক্রিয়াশীল ঘাতকচক্রের হাতে বাঙালি জাতির মুক্তি আন্দোলনের মহানায়ক, স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। ৭৫-এর ১৫ আগস্ট নরপিচাশ রূপি খুনিরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করতে ঘৃণ্য ইনডেমনিটি আইন জারি করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট থেকে দীর্ঘ ২১ বছর বাঙালি জাতি বিচারহীনতার কলঙ্ককের বোঝা বহন করতে বাধ্য হয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে নিয়মতান্ত্রিক বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘাতকদের ফাঁসির রায় কার্যকর করেছে। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সকল ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েও ঘৃণ্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন।

শোক দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আজিম রনি। নগর ছাত্রলীগের পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আক্তার হোসেন সৌরভ। চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ নেতা এসকে মাহমুদ হিরু, খোরশেদ আলম, নগর ছাত্রলীগের উপ সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মিজানুর রহমান মিজান, এমআর এ হৃদয়, যুবলীগ নেতা রেজাউল আলম রিপন,কৃষ্ণ কুমার, নেজাম উদ্দিন, ইব্রাহীম, বায়েজিদ থানা ছাত্রলীগের সদস্য রিপন, রায়হান উদ্দিন সায়েম, মহসিন কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মায়মুন উদ্দিন মামুন, আনোয়ার পলাশ, রুপম সরকার, হারুন অর রশীদ হৃদয়,মাইনুদ্দীন সোহেল, তাফহীম সোহেল,আহাদ হাসান জিসান, সিমলা তন্বী, নাজীম উদ্দিন ,রাকিব বিন আব্দুর,যুবরাজ দাশ প্রমুখ।